*** নোটিশ ছাড়াই ৪ দিনের জন্য বন্ধ বড় সরদার বাড়ি, ভোগান্তিতে হাজারো পর্যটক, দর্শনার্থীদের দাবি মোট অংকের টাকা নিয়ে বাণিজ্য করা হয়েছে ***

*** নোটিশ ছাড়াই ৪ দিনের জন্য বন্ধ বড় সরদার বাড়ি, ভোগান্তিতে হাজারো পর্যটক, দর্শনার্থীদের দাবি মোট অংকের টাকা নিয়ে বাণিজ্য করা হয়েছে ***

নারায়ণগঞ্জে সোনারগাঁয়ে ঐতিহাসিক লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যাদুঘরের সরদার বাড়ি কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই ৪ দিনের জন্য বন্ধ রেখে কােকাকোলা কোম্পানির শুটিং এর কার্যক্রম চলার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ । অন্যদিকে পর্যটকরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে চরম ভোগান্তি ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন, সরদারবাড়িতে প্রবেশ না করতে পেরে দুইজন বেসরকারি মেডিকেল স্টুডেন্ট ও শামীম এবং রাফিউদ্দিন নামে দুইজন শিক্ষার্থী আরো দুইজন পর্যটক জানালেন আমরা কুমিল্লা থেকে এসেছি কোথাও কোন নোটিশ দেখিনি, এসে দেখি ভিতরে সরদার বাড়ি বন্ধ । তবে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় তারা মোটা অংকের অর্থের লোভে একটি কোম্পানিকে শুটিংয়ের জন্য ভাড়া দিয়েছন।

গতকাল (৩০ জুন ) মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যাদুঘরের নিদর্শন সরদার বাড়ি বিনা নোটিশে ৪ দিনের জন্য দশনার্থীদের জন্য প্রবেশ বন্ধ রেখে কােকাকোলার গানের শুটিং চলছে। এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দশনার্থীরা সরদার বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করতে না পেরে হাজার হাজার দর্শনার্থী ও পর্যটক চরম ভোগান্তি ও হতাশা গ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরছেন । লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের অব্যবস্থাপনার কারণে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এমনটাই দাবি জাদুঘরে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী ও পর্যটকদের ।

এদিকে সাংবাদিকরা শুটিং স্পট দেখতে ভিতরে প্রবেশ করতে চাইল বাদা দেওযা হয়। তথ্য সংগ্রহ করতে চাইলে তাদেরকে প্রবেশ করতে নিষেধ করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।।

এই শুটিংয়ের হেভি ইকুভমেন্ট ভিতরে প্রবেশের কারণে সরদার বাড়ির বিল্ডিংয়ের কিছু নকশা ও ডিজাইন ভেঙে গেছে ।
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহাবুব আলমের সাথে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি অসুস্থ, উপ পরিচালকের সাথে কথা বললে বিস্তারিত জানতে পবেন।

এ বিষয়ে লােক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক শাখাওয়াত ও গাইড লেকচারার মোঃ
আশরাফুল আলম নয়নের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা সাংবাদিকদের জানান , ৪ দিনের জন্য যাদুঘরের সরদার বাড়ি কােকাকোলা কোম্পানি কাছে ৬লক্ষ টাকায় ভাড়া দিয়েছেন পরিচালক । আমরা অনলাইন অফলাইন সরদার বাড়ির টিকিট কাটা বন্ধ রেখেছি। সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি কর্তৃপক্ষ।

আর্কিটেকচার আবু সাঈদ এম আহমদের সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধিকে জানান, যদি ভড়া দিয়ে থাকে অবশ্যই তাদের কাছে অনুমোদন পেপার থাকার কথা, যদিও সরদার বাড়ি ভাড়া দেওয়ার কথা না। আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি তারা বলল শুটিং বন্ধ করে দিয়েছে। দূর থেকে কোন দর্শনার্থী এসে ফিরে যাবে এটা আসলে কাম্য নয়। যদি বন্ধ করতেই হয় সরকারি ভাবে অনেক আগেই নোটিশের মধ্যেমে জানিয়ে দেওয়া দরকার ছিল। এ বিষয়ে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব আমিও চাই এই বিল্ডিংটা ৫০ বছর টিকে থাকুক।

Please Share This Post in Your Social Media