*** মেঘনায় ট্রলার ডুবি; হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চার দিনের অভিযান ***

*** মেঘনায় ট্রলার ডুবি; হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চার দিনের অভিযান ***

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ একই পরিবারের চার সদস্যেরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সর্বশেষ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে টানা চার দিনের উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের হাত-কোপা ও রতনপুর এলাকার মাঝামাঝি নতুন ব্রিজের নিচে মারিখালি নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন তারা। খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে সেটি নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের বলে শনাক্ত করা হয়।

এর আগে শনিবার সকালে বৈদ্যেরবাজার এলাকার আল-মোস্তফা কোম্পানির সামনে মেঘনা নদী থেকে হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব (২৪), মেয়ে সামিয়া (১৭) ও ছোট ছেলে সামিনের (৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমন্দী গ্রামের একটি পরিবারসহ স্বজনরা সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে রওনা হন। ট্রলারটিতে নারী-শিশুসহ মোট ১৩ জন যাত্রী ছিলেন। বৈদ্যেরবাজার এলাকায় মেঘনা নদীর মাঝপথে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

ট্রলারডুবির পর স্থানীয়দের সহায়তায় আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। রায়িশা নামে এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে একই পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হলে তাঁদের উদ্ধারে নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল অভিযান শুরু করে।

সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদ চৌধুরী বলেন, হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ চার সদস্যের সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের সন্ধানে চলমান উদ্ধার অভিযানও শেষ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media