*** রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়দাবাদ পুলিশফাড়ির সামনেই আবাসিক হোটেলের আড়ালে মাদক ও নারীদেহ ব্যবসার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ***

*** রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়দাবাদ পুলিশফাড়ির সামনেই আবাসিক হোটেলের আড়ালে মাদক ও নারীদেহ ব্যবসার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ***

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির বিপরীত পাশে অবস্থিত ‘আল নাহিদ আবাসিক হোটেল’-কে কেন্দ্র করে মাদক ব্যবসা ও অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

অভিযোগে হোটেলসংশ্লিষ্ট জসিম ও নাদিমের নাম উঠে এসেছে। পাশাপাশি ভবনমালিক মালিক আওয়ামিলীগ নেতা মোঃ জাকির যাহার নামে একাধিক মানবপাচার মামলা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজধানীর সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ের জাকির টাওয়ার ভবনেও মাদক বিক্রির কার্যক্রম চলছে।

এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের দাবি, মাদক ব্যবসা ও অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা মাসোহারা দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, জসিম নিজে গিয়ে এই অর্থ দিয়ে থাকেন বলে দাবি করা হয়েছে।

ভবনমালিক মো. জাকিরের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়া। তাঁর বিরুদ্ধে মানবপাচারসংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছারাও ভবন মালিক জাকির এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে সে প্রতিদিন আবাসিক হোটেল আলনাহিদ ও আবাসিক হোটেল স্বাগতম থেকে ৮০০০ হাজার টাকা করে ভাড়া নেয়। আর এই অধিক ভাড়ার লোভেই সে অপরাধ করার সুযোগ করে দিচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আল নাহিদ আবাসিক হোটেলে মাদকসংক্রান্ত অবৈধ কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা মাসোহারা গ্রহণের অভিযোগ।
উক্ত অপরাধের বিষয়ে যাত্রাবাড়ি থানাধীন সায়দাবাদ পুলিশফাড়ি ইনচার্জ এস,আই ইমরান এর সাথে কথা বললে তিনি যানান এই বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে অপরাদের ব্যাপারে তিনি যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।

Please Share This Post in Your Social Media