বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

*** ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলেন মাসুদ পেজেশকিয়ান ***

পি বাংলা টিভি
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪
  • ২৪০ বার পঠিত

ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন সংস্কারপন্থি মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাঈদ জলিলিকে পরাজিত করেছেন।
শনিবার (৬ জুলাই) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ কথা জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র মোহসিন ইসলামি বলেছেন, তিন কোটির বেশি ভোট গণনা হয়েছে। এর মধ্যে মাসুদ পেজেশকিয়ান পেয়েছেন ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি ভোট। আর সাঈদ জালিলি পেয়েছেন ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি ভোট। মোট ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ লোক ভোট দিয়েছে।

গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। এই প্রেক্ষিতে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান।
প্রথম দফার ভোটে ৬৯ বছর বয়সী মাসুদ পেজেশকিয়ান ৪২ শতাংশ ভোট এবং জালিলি পেয়েছেন ৩৯ শতাংশ ভোট। প্রথম দফায় ৬ কোটি ১০ লাখ ভোটারের মধ্যে মাত্র ৪০ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছিল যা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর যে কোনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চেয়ে কম।

প্রথম দফায় পেজেশকিয়ান ও জালিলি ছাড়া আরও দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন- কট্টরপন্থী পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং কট্টরপন্থি মোস্তফা পুরমোহাম্মদি। গালিবাফ ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছিলেন। আর পুরমোহাম্মদি পেয়েছিলেন ১ শতাংশের কম ভোট।

মাসুদ পেজেশকিয়ান একজন হৃদ্রোগবিষয়ক সার্জন। ইরানের পার্লামেন্টে ২০০৮ সাল থেকে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাবরিজ শহরের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি। ইরানের প্রধান সংস্কারপন্থি জোট তাকে সমর্থন দিয়েছে। সাবেক দুই সংস্কারপন্থী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানিরও সমর্থন পেয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে ৫৮ বছর বয়সী জালিলি পশ্চিমাবিরোধী অবস্থানে অনড়। তিনি কট্টরপন্থি সমর্থকদের যথেষ্ট সমর্থন ধরে রেখেছেন। অন্য রক্ষণশীল নেতাদের কাছ থেকেও সমর্থন পেয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ইরানে আগামী বছরের জুনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদ শেষে ভোট অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু গত ১৯ মে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হলে পদটি শূন্য হয়। ফলে আগাম নির্বাচনের বিকল্প ছিল না। সংবিধান অনুযায়ী, ৫০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর