রাজধানীর ঢাকার অভিজাত এলাকা বনানী দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চমানের আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ ও করপোরেট অফিসের জন্য সুপরিচিত। তবে সম্প্রতি এই এলাকায় অবস্থিত ‘মার্ভেল ইন’ নামের একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে নানা অভিযোগ,স্থানীয়দের দাবি হোটেলটির কার্যক্রম শুধুমাত্র আবাসিক সেবায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং “স্কর্ট সার্ভিস” নামে ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ ভাড়া দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড সহ মাদক সেবন বিপনন ও সরাসরি নারী দিয়ে পতিতাবৃত্তি পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। হোটেলটি বনানীর আবাসিক এলাকায় ২৭ নং রোডে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত কয়েক মাস ধরে হোটেলটিতে অস্বাভাবিক মাত্রায় নারী-পুরুষের যাতায়াত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে রাত গভীর হলে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে অতিথি আনা-নেওয়ার প্রবণতা চোখে পড়ে। এলাকার আরেক বাসিন্দা বলেন, কিন্তু যদি এখানে আবাসিক হোটেলের আড়ালে অন্য কিছু চলে, সেটি আমাদের পরিবারের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়। বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের স্বেচ্ছায় যৌন পেশায় যুক্ত থাকার বিষয়টি সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত না হলেও, আবাসিক হোটেলে বাণিজ্যিকভাবে “স্কর্ট সার্ভিস” পরিচালনা করা আইনগতভাবে বৈধ কি না তা নিয়ে রয়েছে স্পষ্ট প্রশ্ন।
অনুসন্ধানে যানা যায় হোটেলটির মালিক পায়েল যার স্থায়ি ঠিকানা গোপালগঞ্জ যিনি নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলিগের রাজনীতির সাথেও জরিত আরেক মালিক মিজান।

একাধিক মামলার আসামী হোটেল মালিক মিজান
এরা গুলশান এলাকায় দির্ঘদিন স্পার আড়ালে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করতো যার দরুন গুলশান থানায় পায়েল ও মিজান এর নামে একাধিক মামলা আছে। পরর্তীতে তারা স্থান পরিবর্তন করে বনানী এসে আবাসিক হোটেল এর নামে মার্ভেল ইন এ পুনরায় একেই অপরাধ কররে আসতেছে।
Leave a Reply