সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে শত শত অবৈধ ঝোপ বা কাঠা ফিসারী উচ্ছেদে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মৎস্য অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা রহমান।
গতকাল রবিবার সকাল ১১ টায় দুইটি স্পিড বোট একটি ট্রলার দিয়ে উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন ও বারদী ইউনিয়নের আনন্দবাজার, নুনেরটেক এলাকায় মেঘনা নদীতে গড়ে ওঠা অবৈধ মাছের ঘের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মনজুরুল মোর্শেদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ,জনাব মাহমুদা আক্তার, অফিসার ইনচার্জ নৌ পুলিশ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ।
অভিযান পরিচালনা করে তিনটি ঝোপের বাঁশ ও জাল কেটে ফেলা হয় যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা।এসময় আরো দুটি ঝোপের বাঁশ কেটে ও কচুরিপানা সরিয়ে দেয়া হয়। উল্লেখ্য যে, মেঘনা নদীতে অবৈধ ঝোঁপ দেওয়ার ফলে মেঘনা নদীতে দেশীয় মাছের বংশবৃদ্ধি ও উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এ সকল ঝোপের মাধ্যমে দেশীয় প্রজাতির সকল মা মাছ ও অন্যান্য ছোট মাছ ধরে ফেলা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরেই মেঘনা নদীতে অবৈধ ঝোপ দিয়ে মাছ শিকার হচ্ছে। এতে করে মৎস্যসম্পদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান অব্যাহত থাকলে নদীতে ঝোপ দেওয়া বন্ধ হতে পারে।
উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে উপজেলার বৈদ্যের বাজার ও বারদী ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সময় চেয়েছেন মেঘনা নদীতে বিদ্যমান সকল অবৈধ ঝোপ বা কাঠা ফিসারি সরিয়ে ফেলার জন্য। সে প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় সাত দিনের সময় দিয়েছেন। সাত দিনের মধ্যে অবৈধ ঝোপ সরিয়ে ফেলা না হলে পরবর্তীতে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা
Leave a Reply